Blog
রচনা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা
ভূমিকা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম গভীরভাবে জড়িত। বাঙালির রাজনৈতিক অধিকার, স্বাধিকার ও আত্মপরিচয়ের আন্দোলন দীর্ঘদিন ধরে নানা ধাপে এগিয়ে যায়। সেই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান ধীরে ধীরে বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রে পরিণত হন। ভাষার অধিকার থেকে শুরু করে ছয় দফা, গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন এবং মুক্তিযুদ্ধ—স্বাধীনতার পথে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তাঁর নেতৃত্ব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই বাংলাদেশের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক ভূমিকা ও অবদান একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
জন্ম ও শৈশব
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে টুঙ্গিপাড়া গোপালগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত। গ্রামের সাধারণ পরিবেশে তাঁর শৈশব কাটে। ছোটবেলা থেকেই মানুষের প্রতি তাঁর সহানুভূতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মনোভাবের পরিচয় পাওয়া যায়।
পিতা-মাতা
শেখ মুজিবুর রহমানের পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতার নাম সায়েরা খাতুন। পারিবারিক পরিবেশ থেকেই তিনি মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধের শিক্ষা লাভ করেন। তাঁর ব্যক্তিত্ব গঠনে পরিবার ও শৈশবের পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল।
শিক্ষা
শেখ মুজিবুর রহমানের প্রাথমিক শিক্ষা নিজ এলাকার বিদ্যালয়ে শুরু হয়। তিনি গোপালগঞ্জ মিশন স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। পরে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনা করেন এবং সেখান থেকে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনশাস্ত্রে ভর্তি হন। তবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তাঁর আইনশাস্ত্রের পড়াশোনা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।
রাজনীতিতে আগমন
শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। মানুষের অধিকার ও সামাজিক বৈষম্যের বিষয়গুলো তাঁকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলত। তৎকালীন বাংলার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি যুক্ত হন।
১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান বিভক্ত হওয়ার পর পূর্ব বাংলার মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার নিয়ে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এসব সমস্যা সমাধানের দাবিতে শেখ মুজিবুর রহমান সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে অংশ নেন।
ভাষা আন্দোলনে ভূমিকা
১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার উদ্যোগ নিলে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিবাদ সৃষ্টি হয়। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ছাত্রসমাজ ও রাজনৈতিক নেতারা আন্দোলন শুরু করেন। শেখ মুজিবুর রহমানও এই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ধর্মঘট পালিত হয়। এ সময় শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক ছাত্রনেতা গ্রেপ্তার হন। পরবর্তী সময়ে ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন আরও শক্তিশালী হয়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন নতুন মাত্রা লাভ করে। এই আন্দোলন বাঙালির জাতীয়তাবোধকে আরও শক্তিশালী করে এবং ভবিষ্যতের স্বাধিকার আন্দোলনের ভিত্তি তৈরি করে।
ছয় দফা আন্দোলন
পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বৈষম্য ক্রমেই বাড়তে থাকে। এই বৈষম্য দূর করে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন।
ছয় দফায় পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বায়ত্তশাসনের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার সনদ হিসেবে ছয় দফা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এই আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করে এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।
আগরতলা মামলা ও গণঅভ্যুত্থান
১৯৬৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলাকে কেন্দ্র করে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয়। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আন্দোলনে যুক্ত হন।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ফলে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান রাজনৈতিকভাবে চাপে পড়েন। শেষ পর্যন্ত আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করা হয় এবং শেখ মুজিবুর রহমানসহ অভিযুক্তরা মুক্তি পান।
১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসমাবেশে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এরপর থেকেই বাঙালির কাছে ‘বঙ্গবন্ধু’ নামটি ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠে।
১৯৭০ সালের নির্বাচন
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানে বিপুল বিজয় অর্জন করে এবং পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। নির্বাচনের ফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগের সরকার গঠনের সাংবিধানিক অধিকার তৈরি হলেও পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানায়।
এর ফলে পূর্ব পাকিস্তানে রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়। বঙ্গবন্ধু জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসন কার্যত তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হতে থাকে।
৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে তিনি বাঙালির অধিকার, মুক্তি ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেন।
তাঁর সেই ভাষণ বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলনকে আরও সুসংগঠিত করে। ভাষণটি পরবর্তীকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ আন্তর্জাতিক নিবন্ধনে অন্তর্ভুক্ত করে।
স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষ, ছাত্র, পুলিশ এবং অন্যান্য প্রতিরোধকারীদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়। সেই রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে তাঁকে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়।
গ্রেপ্তারের আগে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এরপর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিরোধ শুরু হয় এবং মুক্তিযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব ও স্বাধীনতার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় হয়। তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে। দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়।
মুক্তিযুদ্ধে বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রাণ হারান, অসংখ্য মানুষ আহত ও বাস্তুচ্যুত হন এবং নারীরা ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হন। বাংলাদেশের সরকারি হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হন এবং ২ লাখ নারী নির্যাতনের শিকার হন।
স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তাঁর প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের মানুষের জন্য ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা।
স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন, প্রশাসন গঠন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে নতুন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়। ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামো প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় তাঁর সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন। এটি ছিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাভাষার একটি স্মরণীয় উপস্থাপন।
মৃত্যু
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে একদল সামরিক কর্মকর্তা ও সৈনিকের অভ্যুত্থানের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নিহত হন। এই ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গভীর ও মর্মান্তিক অধ্যায়।
তাঁকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পারিবারিক সমাধিস্থলে দাফন করা হয়। তাঁর সমাধি পরবর্তীকালে বাংলাদেশের ইতিহাস ও রাজনৈতিক স্মৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হয়ে ওঠে।
বঙ্গবন্ধুর অবদান
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচিত হয়। ভাষার অধিকার, রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন, ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন, ৭ মার্চের ভাষণ এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা—এসব ঘটনায় তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। তিনি কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র ও নিম্নবিত্ত মানুষের অধিকারকে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উপসংহার
বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একদিনে অর্জিত হয়নি। দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন, ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। এই দীর্ঘ পথচলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক নেতা।
তাঁর জীবন ছিল সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে পূর্ণ। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে তাঁর অবদান নিয়ে নানা রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক আলোচনা থাকলেও দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর ভূমিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত। বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রাম থেকে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে তাঁর রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাংলাদেশের ইতিহাসে স্থায়ীভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে।
“যতদিন রবে পদ্মা, যমুনা, গৌরী, মেঘনা বহমান,
ততদিন রবে কীর্তি তোমার, শেখ মুজিবুর রহমান।”
Bikrom Das
Categories
- Food Item (14)
- How To (3)
- Important Time (1)
- Knowledge (11)
- Passport Visa Info (16)
- PRODUCTS (9)
- Subscription Info (22)
- বাংলা রচনা (2)
Archives
Products
-
Dualspace Premium
150৳
-
Original GTA Vice City For PC
250৳
-
Digital Haat WordPress Premium Website Template
3,500৳Original price was: 3,500৳ .1,950৳ Current price is: 1,950৳ . -
SuperGrok Subscription
990৳ – 7,800৳ Price range: 990৳ through 7,800৳
-
Need for Speed Most Wanted 2005 Original PC Game
250৳ – 450৳ Price range: 250৳ through 450৳
-
Virtua Cop 2 PC PreActive Game
150৳
-
Amazon Prime Video
199৳ – 1,194৳ Price range: 199৳ through 1,194৳
-
Netflix Subscription
380৳ – 1,140৳ Price range: 380৳ through 1,140৳